আলোময়.কম হোম,ইসলাম ও বিজ্ঞান, ফিডব্যাক,অংশ নিন fb page

বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

যীশু (ঈসা আ.) খ্রিস্টান ছিলেন না ছিলেন মুসলিম, বাইবেল থেকেই প্রমাণ

ইসলামী আকীদা হলো ইসলামই হলো আল্লাহ-প্রদত্ত একমাত্র জীবন বিধান। পৃথিবীতে হযরত আদম আ. হতে শুরু করে যত নবী রাসুল আ. এসেছেন তাঁরা সবাই মুসলিম ছিলেন। পৃথিবীর অন্যান্য ধর্মগুলো ইসলামেরই বিকৃত রূপ যেগুলো যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে আসমানী পথনির্দেশনার পরিবর্তনকে স্বীকার করেনি।
একইভাবে যীশুখ্রিস্ট বা ঈসা আ. ও ছিলেন মুসলিম যা বাইবেলেরই তথ্য। অথচ দাবী করা হয় তিনি নাকি খ্রিস্টধর্মের প্রবর্তক!
প্রমাণ:
১. গসপেল অব জন (জিনের সুসমাচার) (১৪:২৮)
“আমার পিতা আমার চেয়ে বড়”
উল্লেখ্য, বাইবেলে ‘পিতা’ শব্দটিকে আল্লাহর একটি নাম হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। তাছাড়া সেসেময় আল্লাহ-ওয়ালা ব্যক্তিদেরকে আল্লাহর সন্তান আখ্যায়িত করা হতো।
২. গসপেল অব জন (১০:২৯)
“আমার পিতা সবার চেয়ে বড়”
৩. গসপেল অব ম্যাথিই (১২:২৮)
“আমি ঈশ্বরের আত্মার সাহায্যে শয়তানকে তাড়িয়ে দিই”
৪. গসপেল অব লুক (১১:২০)
“আমি ঈশ্বরের আঙ্গুলের সাহায্যে শয়তানেক তাড়াই”
৫. গসপেল অব জন (৫:৩০)
“আমি নিজে থেকে কিছুই করতে পারি না, আমি (ঈশ্বরের কাছ থেকে) যেভাবে শুনি সেভাবে বিচার করি, আর আমার বিচার সঠিক কারণ আমি নিজের ইচ্ছামতো কাজ করি না বরং যিনি (ঈশ্বর) আমাকে পাঠিয়েছেন তাঁর ইচ্ছা পূরণ করার চেষ্টা করি”
আর মুসলিম তাঁকেই বলে যিনি নিজের ইচ্ছাকে, কামনা বাসনাকে আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সমর্পণ করে দেন। ইসলাম শব্দের অর্থই হলো (আল্লাহর কাছে) আত্মসমর্পণ করা।
অতএব বাইবেল থেকেই প্রমাণ পাওয়া গেল যীশু বা ঈসা আ. খ্রিস্টান নন বরং মুসলিম ছিলেন
কৃতজ্ঞতায়: আইআরএফ ডট নেট

ইমেইলে গ্রাহক হোন